Puber Alo
মঙ্গলবার , ১৯ মার্চ ২০২৪ | ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. খেলাধুলা
  3. গ্রাম বাংলার খবর
  4. জাতির সূর্য সন্তান
  5. ফেসবুক কর্নার
  6. ব্যক্তিত্বের আলো
  7. ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিদিন
  8. শৃঙ্খলার আলো
  9. সংবাদ
  10. সাহিত্য ও সংস্কৃতি

যে কারণে গুলশানের সেই বাড়ি সরকারকে দিতে হচ্ছে সালাম মুর্শেদীকে

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
মার্চ ১৯, ২০২৪ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
যে কারণে গুলশানের সেই বাড়ি সরকারকে দিতে হচ্ছে সালাম মুর্শেদীকে

ঢাকার গুলশান-২ নম্বরে অবস্থিত যে বাড়িটি সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদী দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ, সেটিকে ‘পরিত্যক্ত সম্পত্তি’ বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্ট। এই সম্পত্তি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধির মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে তাঁকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার এই রায় দেন। ওই সম্পত্তির অবস্থান বুঝে পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্তসচিবকে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে হলফনামা আকারে আদালতে প্রতিবেদন (অ্যাফিডেভিট ইন কমপ্লায়েন্স) দিতে বলা হয়েছে।

আবদুস সালাম মুর্শেদী আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী ও সাবেক ফুটবলার। তিনি গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কে অবস্থিত ২৯ নম্বর বাড়িটি (সি.ই.এন (ডি)-২৭) দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ। পরিত্যক্ত সম্পত্তির ‘খ’ তালিকাভুক্ত এই বাড়ি দখলে রাখার অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক (বর্তমানে সংসদ সদস্য)। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে বাড়িসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র হলফনামা আকারে দাখিল করতে নির্দেশ দেন।

এরপর রাজউক নথি দাখিল করে। পরে বাড়ি নিয়ে অভিযোগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ১৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক আদেশে ওই ভূমি বা প্লটের চেইন অব টাইটেল (মালিকানা হস্তান্তরের পরম্পরা), দখলসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি ও কাগজপত্র যুক্ত করে পক্ষগুলোকে হলফনামা (অ্যাফিডেভিট ইন অপজিশন) দাখিল করতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় নথি ও কাগজপত্র যুক্ত করে দুদককে হলফনামা দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সে অনুসারে দুদক হলফনামা আকারে তথ্য দাখিল করে। চূড়ান্ত শুনানি শেষে পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনাসহ রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেওয়া হয়।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিদিন

আপনার জন্য নির্বাচিত